বৃদ্ধাশ্রম

প্রকাশিত: 4:44 PM, September 18, 2020

রাজিয়া আক্তার পপি FB_IMG_1600425473367

নির্বাক চলা,বলা,জীবনের সবটুকু অবসর,
এই সব নিয়ে আমারা বুড়ো কজনার ঘর।
বুড়ো বুড়ীতে হাসাহাসি, কান্নাকাটির গল্প,
পুরোনো বেশ পড়লে মনেও প্রকাশটা হয় অল্প।
আমাদের ও ঘর-সংসার ছিল, ছিল সন্তানাদি।
আমরা এখন ওদের কাছে পুরনো বেশ আদি।
আমাদেরই চলন,বলন,আমাদেরই কাজ,
ভালোবেসে কেউ টানেনা কাছেতে আর আজ।
ওরা এখন অনেক বড়ো, অনেকটা বেশ দামী।
আমরা বৃদ্ধ বলেই আজ সবচে কমদামি।
মানুষ করতে সন্তানেদের সব করেছি ব্যয়,
জীবনটাতে ঐ ছিল যে আমার কাছে ন্যয়।
ভালোবাসার বন্ধনটুকু সব নিয়েছে কেড়ে,
আমি অধম তাই বুঝি আজ সবকিছুই ছেড়ে।
নতুন করে স্বপ্ন দেখি, কামনায় শুধু মরন।
আমাদের সন্তানদের মানুষের মত গড়ন।
মানুষ নামের জন্তু গুলো লালন করে বুকে,
বৃদ্ধ জীবন মরছি শুধু কষ্টে ধুঁকে ধুঁকে।
ওরাও আবার বৃদ্ধ হবে আছে অনেক বাকী,
ভাবছি আমার জীবন দিবে ততদিনে ফাঁকি।
কি করে যে দেখবো খোকা আমার প্রিয় মুখ,
তুই যেদিন থাকবি পাশে সেদিন আমার সুখ।
যেদিন খোকা কাটবে তোর আমার মত দিন,
সেদিন হয়তো শোধ চাইবি আমার কাছে ঋন।
তখন আমার পাবিনা আর এই ঘরেতে দেখা,
বুঝবি সেদিন কাটতো কেমন মায়ের দিনটি একা।
বলবো শুধু সন্তানেদের পিছে দিয়ো না কেউ শ্রম,
তাহলেযে বাবা-মায়ের শেষ ঠিকানা শুধু বৃদ্ধাশ্রম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 41 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ