সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়ায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে – গৃহস্থরা আতঙ্কিত।

প্রকাশিত: 1:13 PM, May 9, 2020

অনলাইন ডেস্কঃ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলাধীন কলকলিয়া ইউনিয়নে গরু চুরির হিড়িক পড়েছে, প্রায় রাতেই চোরেরা গৃহস্থদের গোয়াল ঘরের তালা ভেঙ্গে কিংবা ঘরের বেড়া কেটে গরু নিয়ে যাচ্ছে, ফলে গৃহস্থদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রতি রাতেই চুরের দল হানা দেয় এলাকার গ্রাম গুলোতে, ফলে গ্রামবাসীরা নানা আতংকে রাত পার করছেন।

একাধিক গৃহস্থ ও খামারিরা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরু লালন পালন করছেন তারা কিন্তু চোরের আতংকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অনেক ক্ষুদ্র খামারিরা।

বিগত ২৬ মার্চ দিবাগত রাতে উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের আটপারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সদস্য খাশিলা গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ৪ টি গরু চুরি হয়, যার আনুমানিক মূল্য তিন লক্ষ টাকা। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর রাতে ও তার আরো দুইটি গরু চুরি হয়, যার আনুমানিক মুল্য ৮০,০০০ টাকা। জগন্নাথপুর থানায় জিডি করার পর ও কোন ও ফল আসেনি। একই বছর ১৩ই অক্টোবর কলকলিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল গয়াছের দুইটি গরু চুরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা মিন্টু মিয়া জানান কিছু দিন পূর্বে তার গাভীটি চুরি হয়, এখনো তার গাভীটি পাওয়া যায় নি, যার আনুমানিক মূল্য ষাট হাজার টাকা।
ক্রমাগত গরু চুরির ফলে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতংক বিরাজমান কখন জানি কার গরু চুরি হয়ে যায়, তাই অনতিবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তারা।
প্রতি মাসেই ৩ থেকে ৪ টি চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কোন গরু উদ্ধার কিংবা কাউকে গ্রেফতার করতে পারে নি। ফলে চুরেরা চুরি করেও পার পেয়ে যাচ্ছে এবং পুনরায় সেই চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে।
গ্রামের মুরব্বিরা জানান স্থানীয় চোরের সহযোগিতা ছাড়া বাহির থেকে চোর এসে গরু চুরি করতে পারবেনা। তাই বিগত দডনের গরু চুরির ঘটনায় থানায় জিডি দেখে এবং যারা চুরির সন্দেহে ছিলো তাদেকে যদি থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তা হলে প্রকৃতি চোরের সন্ধান পাওয়া যাবে। করোনাভাইরাসের আতংকে কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না বিধায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কঠোর হস্থক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসীগন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 71 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ