সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জামে মসজিদে মুসল্লীদের নামাজ পড়তে বাধা প্রদানের অভিযোগ।

প্রকাশিত: 8:50 PM, March 29, 2020

20200329_192301অনলাইন ডেস্ক: সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জামে মসজিদে মুসল্লীদের নামাজ পড়তে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ ২৯ মার্চ রবিবার মাগরিবের নামাজের সময় ন্যক্ষারজনক এ কান্ডটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগকারীর বর্ননামতে জানা যায় মাগরিবের নামাজের আজান শুনে মুসল্লীরা সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের প্রবেশ গেইটের বামপার্শ্বে স্থাপিত পল্লী বিদ্যুৎ জামে মসজিদে নামাজ পড়তে যান। তাদের মধ্যে একজন ওজু করতে যান, সে সময় অপরজনের গতিরোধ করে মসজিদে প্রবেশে বাধা হয়ে দাড়ায় গেইটের আনসার এমদাদুল। সে জানায় পল্লী বিদ্যুতের জিএম অখিল চন্দ্র সাহার নির্দেশ বাহিরের কোন মুসল্লীরা মসজিদে নামাজ পড়তে পারবেনা। সাথে সাথে এহেন ঘৃন্য আদেশের প্রতিবাদ জানালে অফিসেরই একজন কর্মকর্তা আনসারকে থামিয়ে দিলে মুসল্লীরা একপ্রকার জোর করেই জামাতে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসল্লীরা মসজিদ থেকে বের হতে চাইলে পুনরায় ঐ আনসার সদস্য তার সহযোগীদের নিয়ে মুসল্লীদের নিকট কৈফিয়ত দাবী করে কেনো তারা নামাজ পড়লেন। সে সবার সামনেই বলে জি এম অখিল চন্দ্র সাহা নাকি তাকে নির্দেশ দিয়েছেন বাহিরের কোন লোক যেনো নামাজ পড়তে পারে।
নামাজের সময় মসজিদে প্রবেশে মুসল্লীদের বাঁধা দেয়ার ঘটনায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি হজরত মাওলানা আনোয়ার হোসাইন, তিনি বলেন আল্লাহর ঘর মসজিদে মুসল্লীদের নামাজ পড়তে বাঁধা প্রদান মোটেও উচিত হয়নি, আল্লাহ সবাইকে হেদায়াত করুন।
এব্যাপারে পল্লী বিদ্যুত সুনামগঞ্জ জেলার জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) অখিল চন্দ্র সাহার ব্যবহৃত মোবাইল নং ০১৭৬৯৪০০০৭৫ মারফতে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মুসল্লীদের নামাজ পড়তে নিষেধ করেননি বলে দাবী করে বলেন, এ ধরনের কোন নির্দেশ আমি দেইনি, করোনার কারনে অফিসের ষ্টাফদের বলেছিলাম ঘরে নামাজ পড়ার জন্য, ঐ আনসার সদস্য না বুঝে এমন আচরন করেছে বিষয়টি দুঃখ জনক।
সচেতন মহলের মতে মসজিদে আগত মুসল্লীদের নামাজ পড়তে বাধাদান কারী আনসার সদস্য এমদাদুলের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদান করা হউক, এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুতের উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের ত্বরিত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী জনগন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 97 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ