দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন ও ইউপি মেম্বার সহ সাত জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

প্রকাশিত: 12:07 PM, August 28, 2018

অনলাইন ডেক্স : সুনামগজ্ঞ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন ও ইউপি মেম্বার মো. আজির উদ্দিন, মো. রইছ মিয়া সহ সাত জনের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জে স্পেশাল 20180828_120611জজ আদালতে দঃবিঃ আনের ৪০৬/১০৯ ধারা এবং দুর্নিতী প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং ১৩/২০১৮, মামলার বাদী হয়েছেন কেতকী রঞ্জন দাস।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ আর্থিক বৎসরে সংসদ সদস্য হইতে বরাদ্দকৃত ২য় পর্যায় কাবিখা কর্মসূচির অধীনে ‘পিটাপশি শিশু মিয়ার বাড়ী হইতে মোকাম বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের নামে ৮ মেট্টিকটন চাউল বরাদ্ধ করা হয়। ১০ জুলাই ডিও নং ৫৭১৫৪৯৮ মূলে ১ম পর্যায়ে ৪ মেট্টিকটন চাউল উত্তোলন করা হয় এবং ২য় পর্যায়ে ২৮ জুলাই ডিও নং ৫৭৭৫৪৭৭ মূলে ২য় পর্যায়ে ৪ মেট্টিকটন চাউল উত্তোলন করা হয়। সরকারী মূল্য অনুযায়ী ৩৩ টাকা কেজি হিসেবে ৮ মেট্টিকটন চাউলের মূল ২লাখ ৬৪ হাজার টাকা। ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, ছালিক মিয়া, আসিক মিয়া, উকিল আলী ও কালা মিয়া উক্ত প্রকল্পের দায়িত্বে ছিলেন, তারা কোন কাজ না করিয়া নিজেরা লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ২লাখ ৬৪ হাজার টাকা অাত্মসাত করিয়াছেন।
২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের নামে ঈদুল আযহা/২০১৮ উপলক্ষ্যে ভিজিএফের১৯ টন ৭শ ৬০ কেজি চাল সরকারী ভাবে বরাদ্দ হয়। ১৪ আগষ্ট সুনামগঞ্জ খাদ্য গুদাম হইতে সম্পূর্ন চাল উত্তোলন করা হয়। ১৬-১৭ আগষ্ট ২০ কেজি চালের পরিবর্তে ১০ কেজি হারে ২শ ৫০জন প্রদান করা হয়েছে। যার পরিমান২টন ৭শ ৬০ কেজি। ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন ও ইউপি সদস্য আজির উদ্দিন ও রইছ মিয়া১৭ মে.টন চাø যাহা ৯শ ৮৮ টি কার্ডধারী গরীবদের প্রাপ্য তাহা বিতরণ না করিয়া আসামীগণ নিজে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে আতœসাত করিয়াছেন।
এছাড়াও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আক্তার হোসেনর বিরুদ্ধে, ২৭ আগষ্ট দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আফরুজা বেগম, রূপতেরা ও আছমা বিগম ভিজিডি মালামাল আতœসাতের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ তারা উল্লেখ করেন, জুন মাসের মালামাল এখনও বিতরণ করা হয়নি। ইস্যুকৃত ভিজিডি কার্ড ও ভিজিডি সঞ্চয়ূী পাস বহি উপকার ভোগীদের কাছে বিতরণ না করিয়া চেয়ারম্যান নিজের কাছে জমা রেখেছেন। সরকার কর্তৃক ঘোষিত ৩০ কেজি প্যাকেট বস্তা উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণরে নির্দেশ থকালে ও চেয়ারম্যা খোলা চাল বালতী দ্বারা পরিমান মত বিতরণ করে থাকেন। প্রতি কার্ডের বিপরিতে ৩০ কেজির পরিবর্তে ২০ কেজি দেওয়া হয়। ৩০ জুন ৬টন ৮শ ৪০ কেজি চাল উত্তোলন করা হয় কিন্তু চেয়ারম্যান তা বিতরণ না করে অাত্মসাত করেছেন।
পূর্বপাগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু মানুষ রয়েছে তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 23 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ