রেকর্ডগড়া জয় ইংল্যান্ডের

প্রকাশিত: 1:14 AM, March 19, 2016

রেকর্ডগড়া জয় ইংল্যান্ডের

অসাধারণ আর বিস্ময়কর এক খেলা দেখলো ক্রিকেট বিশ্ব। স্বার্থক যেন টি-টোয়েন্টির উদ্ভাবন। ৪০ ওভারের খেলায় ৪৬০ রান! এ আসরে ১২৭ করেও যেখানে নিউজিল্যান্ড জয়ী হয়ে ফিরলো সেখানে ২২৯ রান করেও হারতে হলো দক্ষিণ আফ্রিকাকে। শুক্রবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রানের বন্যা দেখা গেল। আগের খেলায় ক্রিস গেইলের ঝড়ে এ মাঠেই হার দেখা ইংল্যান্ড এবার জিতলো রান তাড়া করার রেকর্ড গড়ে। অবিশ্বাস্য এক লক্ষ্য ভেদ করে ইংলিশরা তাদের সামর্থ্যরে প্রমাণ দিলো। ২ বল রআর ২ উইকেট হাতে রেখে জিতলো ইংল্যান্ড। ২৩০এর বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে একবারই। গত বছর এই প্রোটিয়াদের বিপক্ষেই ২৩৮ রান করে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপরেই ইংল্যান্ডের এ জয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকলো। আর বিশ্বকাপে এটিই সবচেয়ে বড় রান তাড়া করে জয়। এর আগে সেই ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিছল দক্ষিণ আফ্রিকা ২০৮ রান করে। তবে ২০০এর বেশি রান তাড়া করে এবারই প্রথম জয় পেলো ইংল্যান্ড। ৪৬০ রানের এ খেলায় কোন সেঞ্চুরি হয়নি। দক্ণি আফ্রিকার ৩ হাফ সেঞ্চুরির জবাবে ইংল্যান্ডের মাত্র একজন হাফ সেঞ্চুরি করেন। ৪৪ বলে ৮৩ রান করে ম্যাচসেরা হন জো রুট। ১৬ টি-২০তে এটি রুটের তৃতীয় ফিফটি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন জেসন রয় মাত্র ১৬ বলে। রুট চারটি আর রয় তিনটি ছক্কা হাঁকান। ২.৩ ওভারে ৪৮ রান তুলে জয়ের ভিত গড়ে ভীতি দূর করে দেন জেসন রয় ও হেলস। ৬ বল আগেই দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর স্পর্শ করে ফেলেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু জয়ের জন্য এক রান নিতেই শেষ ওভারে চার বল খেলতে হয় আর হারাতে হয় দুটি উইকেট।
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি রানের ইনিংস গড়েছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা। হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি ককের ব্যাটিং তান্ডব ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তারা করে ৪ উইকেটে ২২৯ রান। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর চড়াও হন প্রোটিয়া দুই ওপেনার। শুরুর ৭ ওভারেই দক্ষিণ আফ্রিকা বিনা উইকেটে তুলে ফেলে ৯৬ রান। মাত্র ২১ বলে ফিফটির ৩ ছক্কা ও ৭ চারে ২৪ বলে ৫২ রানে ফেরেন ডি কক। এরপর হাশিম আমলা ৩ ছক্কা ও ৭ চারে ৩১ বলে করেন ৫৮ রান। উদ্বোধনী জুটিতে ঝড় তোলার পর শেষের দিকে জেপি ডুমিনি ও ডেভিড মিলার ব্যাটে ফুলটি ছোটান। পঞ্চম উইকেটে মাত্র ৪.৩ ওভারে তারা ৬০ রান যোগ করে অপরাজিত থাকেন। ডুমিনি ৩ ছক্কা ও ৩ চারে মাত্র ২৮ বলে অপরাজিত থাকেন ৫৪ রানে। আর ১২ বলে ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন মিলার। চলতি আসরে এর আগে সর্বোচ্চ ২০১ রানের ইনিংস ছিল পাকিস্তানের বাংলাদেশের বিপক্ষে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 20 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ