“বিচারাঙ্গনের সাবেক ‘ব্ল্যাকশিপের’ বিচার হওয়া উচিত”

প্রকাশিত: 11:05 AM, February 20, 2016

“বিচারাঙ্গনের সাবেক ‘ব্ল্যাকশিপের’ বিচার হওয়া উচিত”

bn
শনিবার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এ দাবি করেন তিনি। এ সময় তিনি আরো দাবি করেন, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ও সমর্থকদের ভয়-ভীতি প্রদর্শীন করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘এই বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের ছিল দ্বৈত নাগরিকত্ব। যার অন্যদেশের প্রতি আনুগত্য থাকে, সে কখনোই নিজ দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে পারে না, এর দ্বারা শুভ কাজ বা ন্যায়বিচার হতে পারে না।’
গতবছর ১ অক্টোবর আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যাওয়া শামসুদ্দিন চৌধুরী বিভিন্ন সময়ে প্রধানবিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে গণমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা অবসরের পর লেখা রায় ও আদেশ না নিতে ‘নির্দেশনা’ দেওয়ায় সম্প্রতি তার পদত্যাগ দাবি করেন বিচারপতি শামসুদ্দিন। এর আগে গত বছর ‘সংবিধান লঙ্ঘন, শপথভঙ্গ ও অসদাচরণের অভিযোগ’ তুলে প্রধান বিচারপতির অভিশংসন চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘বর্তমান অবৈধ সরকার নিজেদের একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের জন্য যাদেরকে ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করেছেন, তাদের মধ্যে বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক ছিলেন অন্যতম। তাকে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সরকার নিজেদের ইচ্ছা পূরণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।”
উচ্চ আদালতকে ‘আওয়ামীকরণের অশুভ পরিকল্পনা’ নিয়ে শামসুদ্দিন চৌধুরী বিচারপতি হিসেবে কাজ করে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন এই বিএনপি নেতা। এটা করতে গিয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকসহ বিচাপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকরা বিচারপতির নিরপেক্ষতাকে অপবিত্র করেছেন, ক্ষুণ্ন করেছেন। তিনি আরো বলেন, “সরকার তাদের গণতন্ত্র হত্যার ‘কিলিং মিশনের’ দায়িত্ব দিয়েছিল। সেই মিশন তারা বাস্তবায়ন করেছে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে আইন ও সংবিধান লঙ্ঘন করে।”
ধান বিচারপতি এস কে সিনহা অবসরে যাওয়ার পর বিচারকদের রায় লেখাকে ‘সংবিধান পরিপন্থি’ বলায় তাকে জোর সমর্থন দিয়ে আসছে বিএনপি। তাদের দাবি, এর মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায়ও ‘অবৈধ’ প্রমাণিত হয়েছে। বিডি নিউজ।একজন বিচারপতির কীভাবে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকতে পারে- এমন প্রশ্ন তুলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “দ্বৈত নাগরিকত্ব লুকিয়ে রেখে বিচারপতির দায়িত্ব পালনের জন্য বিচারাঙ্গনের সাবেক এই ‘ব্ল্যাকশিপের’ বিচার হওয়া উচিত। আমরা মাননীয় প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানাচ্ছি, শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়ে তার বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে।”
শনিবার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এ দাবি করেন তিনি। এ সময় তিনি আরো দাবি করেন, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ও সমর্থকদের ভয়-ভীতি প্রদর্শীন করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘এই বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের ছিল দ্বৈত নাগরিকত্ব। যার অন্যদেশের প্রতি আনুগত্য থাকে, সে কখনোই নিজ দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে পারে না, এর দ্বারা শুভ কাজ বা ন্যায়বিচার হতে পারে না।’
গতবছর ১ অক্টোবর আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যাওয়া শামসুদ্দিন চৌধুরী বিভিন্ন সময়ে প্রধানবিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে গণমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা অবসরের পর লেখা রায় ও আদেশ না নিতে ‘নির্দেশনা’ দেওয়ায় সম্প্রতি তার পদত্যাগ দাবি করেন বিচারপতি শামসুদ্দিন। এর আগে গত বছর ‘সংবিধান লঙ্ঘন, শপথভঙ্গ ও অসদাচরণের অভিযোগ’ তুলে প্রধান বিচারপতির অভিশংসন চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘বর্তমান অবৈধ সরকার নিজেদের একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের জন্য যাদেরকে ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করেছেন, তাদের মধ্যে বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক ছিলেন অন্যতম। তাকে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সরকার নিজেদের ইচ্ছা পূরণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।”
উচ্চ আদালতকে ‘আওয়ামীকরণের অশুভ পরিকল্পনা’ নিয়ে শামসুদ্দিন চৌধুরী বিচারপতি হিসেবে কাজ করে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন এই বিএনপি নেতা। এটা করতে গিয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকসহ বিচাপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকরা বিচারপতির নিরপেক্ষতাকে অপবিত্র করেছেন, ক্ষুণ্ন করেছেন। তিনি আরো বলেন, “সরকার তাদের গণতন্ত্র হত্যার ‘কিলিং মিশনের’ দায়িত্ব দিয়েছিল। সেই মিশন তারা বাস্তবায়ন করেছে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে আইন ও সংবিধান লঙ্ঘন করে।”
ধান বিচারপতি এস কে সিনহা অবসরে যাওয়ার পর বিচারকদের রায় লেখাকে ‘সংবিধান পরিপন্থি’ বলায় তাকে জোর সমর্থন দিয়ে আসছে বিএনপি। তাদের দাবি, এর মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায়ও ‘অবৈধ’ প্রমাণিত হয়েছে। বিডি নিউজ।একজন বিচারপতির কীভাবে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকতে পারে- এমন প্রশ্ন তুলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “দ্বৈত নাগরিকত্ব লুকিয়ে রেখে বিচারপতির দায়িত্ব পালনের জন্য বিচারাঙ্গনের সাবেক এই ‘ব্ল্যাকশিপের’ বিচার হওয়া উচিত। আমরা মাননীয় প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানাচ্ছি, শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়ে তার বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে।”
শনিবার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এ দাবি করেন তিনি। এ সময় তিনি আরো দাবি করেন, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ও সমর্থকদের ভয়-ভীতি প্রদর্শীন করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘এই বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের ছিল দ্বৈত নাগরিকত্ব। যার অন্যদেশের প্রতি আনুগত্য থাকে, সে কখনোই নিজ দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে পারে না, এর দ্বারা শুভ কাজ বা ন্যায়বিচার হতে পারে না।’
গতবছর ১ অক্টোবর আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যাওয়া শামসুদ্দিন চৌধুরী বিভিন্ন সময়ে প্রধানবিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে গণমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা অবসরের পর লেখা রায় ও আদেশ না নিতে ‘নির্দেশনা’ দেওয়ায় সম্প্রতি তার পদত্যাগ দাবি করেন বিচারপতি শামসুদ্দিন। এর আগে গত বছর ‘সংবিধান লঙ্ঘন, শপথভঙ্গ ও অসদাচরণের অভিযোগ’ তুলে প্রধান বিচারপতির অভিশংসন চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘বর্তমান অবৈধ সরকার নিজেদের একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের জন্য যাদেরকে ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করেছেন, তাদের মধ্যে বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক ছিলেন অন্যতম। তাকে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সরকার নিজেদের ইচ্ছা পূরণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।”
উচ্চ আদালতকে ‘আওয়ামীকরণের অশুভ পরিকল্পনা’ নিয়ে শামসুদ্দিন চৌধুরী বিচারপতি হিসেবে কাজ করে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন এই বিএনপি নেতা। এটা করতে গিয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকসহ বিচাপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকরা বিচারপতির নিরপেক্ষতাকে অপবিত্র করেছেন, ক্ষুণ্ন করেছেন। তিনি আরো বলেন, “সরকার তাদের গণতন্ত্র হত্যার ‘কিলিং মিশনের’ দায়িত্ব দিয়েছিল। সেই মিশন তারা বাস্তবায়ন করেছে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে আইন ও সংবিধান লঙ্ঘন করে।”
ধান বিচারপতি এস কে সিনহা অবসরে যাওয়ার পর বিচারকদের রায় লেখাকে ‘সংবিধান পরিপন্থি’ বলায় তাকে জোর সমর্থন দিয়ে আসছে বিএনপি। তাদের দাবি, এর মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায়ও ‘অবৈধ’ প্রমাণিত হয়েছে। বিডি নিউজ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 11 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ