পুলিশ পেশাদারির পরিচয় বহন করেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: 6:18 AM, February 15, 2016

পুলিশ পেশাদারির পরিচয় বহন করেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

109524_untitled_111282প্রান্ত ডেস্ক:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ পুলিশ গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের ধারক ও বাহক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের আত্মদান এক অনন্য দৃষ্টান্তের দাবিদার। এরই ধারাবাহিকতায় প্রজাতন্ত্রের একটি বিশ্বস্ত ও সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ কর্মের মাধ্যমে স্বাক্ষর রেখে চলেছে। কিছু ব্যত্যয় ছাড়া বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী জনগণের সেবায় পেশাদারির পরিচয় বহন করেছে। গতকাল রবিবার রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে দুই সপ্তাহব্যাপী ‘ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম : সার্ক পারসপেকটিভ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সার্ক অঞ্চলে বহুমাত্রিক অপরাধ মোকাবিলা, প্রচলিত পেশাগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, পুলিশি সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সর্বোত্তম পুলিশ সেবা অনুশীলনে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক মানের এ প্রশিক্ষণ কোর্সটি শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সার্কভুক্ত দেশের পুলিশ সুপার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে অংশগ্রহণকারীরা সম্যক ধারণা পাবেন। বাংলাদেশ পুলিশ আয়োজিত এটি চতুর্থ আন্তর্জাতিক কোর্স। প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে আফগানিস্তানের দুজন, ভুটানের দুজন, শ্রীলঙ্কার দুজন, মালদ্বীপের দুজন এবং বাংলাদেশের ১০ পুলিশ সুপারসহ মোট ১৮ পুলিশ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘উন্নত বিশ্বের মতো আমাদেরও প্রয়োজন দক্ষ ও পেশাদার পুলিশ বাহিনী, যারা আইনের শাসন নিশ্চিত করে সাধারণ জনগণকে সেবা করবেন। আর এই দক্ষতা ও পেশাদারি বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন আধুনিক ও মানসম্মত প্রশিক্ষণ। এ ছাড়া উন্নত ও পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়া সম্ভব নয়। সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র পুলিশ স্টাফ কলেজ হিসেবে ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজ পেশাদার ও দক্ষ পুলিশ বাহিনী গড়ার লক্ষ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।’ বিশেষ অতিথি আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক বলেন, আন্তরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে পারস্পারিক সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় ও সুসংহত করার উদ্দেশ্যেই ট্রান্সন্যাশনাল সার্ক শীষর্ক এ প্রশিক্ষণ। যাতে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সন্ত্রাস, মানবপাচার, অস্ত্র ও মাদকপাচার এবং দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যায়। সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ স্টাফ কলেজে বাংলাদেশের রেক্টর ফাতেমা বেগম সার্কভুক্ত দেশগুলোর পারস্পারিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, পেশাগত বিভিন্ন ইসু্যতে সহযোগিতার মনোভাব এবং পুলিশি সেবার সর্বোত্তম অনুশীলন ও চর্চায় সার্ক দেশগুলোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের সামর্থয এবং দক্ষতা উন্নয়নে এ প্রশিক্ষণ কোর্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 10 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ