ফের পেছাল সাত খুনের চার্জ গঠন

প্রকাশিত: 9:01 AM, January 27, 2016

ফের পেছাল সাত খুনের চার্জ গঠন

youপ্রান্তডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের দুটি মামলার চার্জ গঠন আবারও পেছানো হয়েছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী চার্জ (অভিযোগ) গঠনের দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে সাত খুনের দুটি মামলায় গ্রেফতার প্রধান আসামি নূর হোসেন ও র‌্যাবের চাকরিচ্যুত তিন কর্মকর্তা তারেক সাঈদ, আরিফুর রহমান, এম এম রানাসহ ২৩ জনকে হাজির করা হয়।
বুধবার এই শুনানির দিন থাকলেও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগপত্রের সার্টিফাই কপি অনুলিপি না পাওয়ার কথা বলে সময়ের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
এদিন আদালতে নূর হোসেন ও র‌্যাবের তিন কর্মকর্তাসহ ১৩ জনের জামিন আবেদন করা হয় জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট খোকন সাহা।
তিনি বলেন, ‘চার্জশিটের সার্টিফাই কপি এখনো হাতে না পাওয়ায় চার্জ গঠনের শুনানি পেছাতে সময় আবেদন করেছিলাম।
প্রসঙ্গত, গত ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
সাত খুনের ঘটনায় নিহত কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল পৃথক দুটি করেন। হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক বছর পর ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের আদালতে ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মামনুর রশিদ মণ্ডল। ইতোমধ্যে ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক রয়েছে আরও ১২ জন।
নূর হোসেন ছাড়া বাকিরা হলেন— সামরিক বাহিনী থেকে বরখাস্ত তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, এম এম রানা ও আরিফ হোসেন, র‌্যাব সদস্য এসআই পূর্ণেন্দু বালা, এএসআই বজলুর রহমান ও আবুল কালাম আজাদ, হাবিলদার এমদাদুল হক ও নাসির উদ্দিন, কনস্টেবল শিহাব উদ্দিন ও বাবুল হাসান, আরওজি-১ আরিফ হোসেন, ল্যান্সনায়েক হীরা মিয়া, বেলাল হোসেন, ল্যান্স কর্পোরাল রুহুল আমিন, সিপাহী আবু তৈয়ব, নুরুজ্জামান ও আসাদুজ্জামান নূর এবং নূর হোসেনের সহযোগী মোর্তুজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান দীপু, রহম আলী ও আবুল বাশার।
র‌্যাবের সার্জেন্ট এনামুল কবীর, এএসআই কামাল হোসেন, কর্পোরাল মোখলেছুর রহমান, সৈনিক আব্দুল আলিম, মহিউদ্দিন মুন্সী, আল আমিন শরীফ, তাজুল ইসলাম ও কনস্টেবল হাবিবুর রহমান পলাতক।
হত্যার দায় স্বীকার করে র‌্যাবের ১৭ জনসহ ২২ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং ঘটনার সাক্ষী হিসেবে র‌্যাব সদস্যসহ ১৭ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 14 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ