খন্দকার মোশাররফের জামিন বহাল

প্রকাশিত: 8:54 AM, January 10, 2016

খন্দকার মোশাররফের জামিন বহাল

dddপ্রান্তডেস্ক: বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ রোববার দুদকের এ সংক্রান্ত আপিল নিষ্পত্তি করে খন্দকার মোশাররফকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রাখেন।
এর ফলে খন্দকার মোশাররফের কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
আদালতে খন্দকার মোশাররফের পক্ষে শুনানি করেন এ কে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নিতাই রায় চৌধুরী ও খন্দকার মোশাররফের ছেলে ব্যারিস্টার মারুফ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন।
আদেশের পর ব্যারিস্টার মারুফ জানান, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রাখায় খন্দকার মোশাররফের মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম জানান, খন্দকার মোশাররফকে শর্ত সাপেক্ষে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রেখে আপিল বিভাগ দুদকের আবেদন নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন।
গত বছরের ১৯ আগস্ট হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ শর্ত সাপেক্ষে খন্দকার মোশাররফের জামিন মঞ্জুর করেন। আদেশে জামিনের শর্ত হিসেবে বলা হয়, ‘আদালতে পাসপোর্ট জমা, বিদেশ যেতে হলে আদালতের অনুমতি গ্রহণ এবং লন্ডনের যে ব্যাংকে অর্থ রাখা আছে সেখান থেকে অর্থ স্থানান্তর করা যাবে না’।
হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করলে আদালত হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করে দুদককে লিভ টু আপিল করতে বলে। পরে দুদকের করা লিভ টু আপিলটিই রোববার নিষ্পত্তি করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে যুক্তরাজ্যে মোট ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১ টাকা পাচারের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি দুদকের পরিচালক নাসিম আনোয়ার বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মানি লন্ডারিং আইনে খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।
ওই মামলায় একই বছরের ১২ মার্চ রাতে গুলশানের বাসা থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই আছেন।
এই মামলায় গত বছরের ২৮ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আতাউর রহমান বুধবার মোশাররফের বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগ আমলে নিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আদেশ দেন। এর মধ্য দিয়ে অর্থ পাচারের মামলায় মোশাররফের বিচার শুরু হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 14 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ