কলকাতায় চলছে ‘বাংলাদশে বিজিয় উত্সব।

প্রকাশিত: 10:05 AM, December 17, 2015

কলকাতায় চলছে ‘বাংলাদশে বিজিয় উত্সব।

87প্রান্ত ডেস্ক: মহান বজিয় দবিস উপলক্ষে কলকাতায় চলছে ‘বাংলাদশে বজিয় উত্সব’। গত মঙ্গলবার থকেে কলকাতার নতোজি ইন্ডোর স্টডেয়িামে শুরু হয়ছেে পাঁচ দনি দর্ঘ্যৈরে এ উত্সব। কলকাতার বাংলাদশে উপ-হাইকমশিনরে উদ্যোগে চলমান উত্সব শষে হবে আগামী ১৯ ডসিম্বের।
বজিয় দবিসরে আগরে দনি দুপুরে উত্সব উদ্বোধন করনে বাংলাদশেরে শল্পিমন্ত্রী আমরি হোসনে আমু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতথিি হসিবেে উপস্থতি ছলিনে পশ্চমিবঙ্গরে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফরিহাদ হাকমি, কলকাতার বাংলাদশে উপ-হাইকমশিনার জকি আহাদ প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গয়িে আবগোপ্লুত হয়ে পড়নে শল্পিমন্ত্রী। তনিি বলনে, ‘আজকরে এই অনুষ্ঠানে আসতে পরেে আমি আনন্দতি, আবগোপ্লুত। ৪৫ বছর আগে যে দশেরে মাটতিে বসে মুক্তযিুদ্ধরে পরচিালনা করা এবং সুসংহত করার সুযোগ হয়ছেলি, সইে দশেরে মাটতিে বসে সইে দশেরে মানুষরে সঙ্গে একাত্ম হয়ে এই অনুষ্ঠান পালন করার সুযোগ পয়েছে।ি এক দনি যে দশেরে মানুষ আমাদরে মুক্তযিুদ্ধকে নজিদেরে যুদ্ধ হসিবেে বহন করছেলি, আমাদরে এক কোটি শরর্ণাথীকে আশ্রয় দয়িছেলি, তাদরে অন্ন ভাগ করে খাইয়ছেলিনে আজ সইে ভারতরে প্রতটিি মানুষরে কাছে কৃতজ্ঞ’।
তনিি আরও বলনে, ‘এপার বাংলা-ওপার বাংলা বলে আসলে কছিু নইে। আমরা এক ও অভন্নি, আমাদরে ভাষা, শক্ষিা, সংস্কৃত,ি ঐতহ্যি সবকছিুতইে প্রাণরে মলি। আনুষ্ঠানকিতার বড়োজালে আমরা দ্বধিাবভিক্ত হলওে মানসকি দকি থকেে আমরা একাত্ম। আমরা বাঙাল’ি।
অন্যদকিে অনুষ্ঠানে উপস্থতি পশ্চমিবঙ্গরে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফরিহাদ হাকমি বলনে, ‘এটা অত্যন্ত র্গবরে কারণ আমরা ভারতরে মানুষ, ভারতে থাকি কন্তিু আমাদরে হূদয় বাংলাদশে।ে বাংলাদশেরে সঙ্গে আমাদরে যে সর্ম্পক তা কখনো ছন্নি হওয়ার নয়। কখনো রবীন্দ্রনাথ, কখনো নজরুল, রুনা লায়লা বভিন্নি শল্পিীর দুই দশেরে মধ্যে অভন্নি সর্ম্পক তরৈি হয়ছে।ে আর সইে সর্ম্পক মজবুত হয়ছেে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার পর। আমি মনে কর,ি মমতার হূদয়রে একদকিে যখোনে পশ্চমিবঙ্গ আছে ঠকি তমেনি অন্যদকিে বাংলাদশে আছ।ে কারণ তার হূদয়ে বাংলাদশেরে প্রতি একটা উন্মাদনা আছ’ে।
পাঁচ দনিব্যাপী এ উত্সবে বাংলাদশেরে মুক্তযিুদ্ধভত্তিকি বাংলাদশেি চলচ্চত্রি প্রর্দশনরে পাশাপাশি থাকছে বাংলাদশেি পণ্য ও ঐতহ্যিবাহী খাবাররে মলো এবং সাংস্কৃতকি অনুষ্ঠান। বাংলাদশে থকেে এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেনে রুনা লায়লা, কোনাল, অরনি, কুষ্টয়িার লালন শল্পিীগোষ্ঠী, কৃষ্ণকলি প্রমুখ। যোগ দয়িছেনে পশ্চমিবঙ্গরেও কয়কেজন প্রখ্যাত শল্পিী।
এ ছাড়া উত্সবরে আর্কষণ বাড়াতে থাকছে ঢাকাই জামদান,ি রাজশাহী সল্কি, টাঙ্গাইলরে তাঁতরে শাড়,ি হস্তশল্পি, বুটকি, সরিামকি ও মলোমাইন সামগ্রীর ববিধি পণ্যরে প্রর্দশনী। পাশাপাশি থাকছে কাচ্চি বরিান,ি ভুনা খচিুড়,ি ও পঠিাসহ জভিে পানি আনা বাংলাদশেি সুস্বাদু খাবারও।
প্রতদিনি বলো ২টা থকেে রাত ৮টা র্পযন্ত চলছে এই মলো।
প্রতবিারই কলকাতায় এ উত্সব হয়। তবে এবারই প্রথম বড় পরসিরে আয়োজন হয়ছে।ে
উদ্বোধনী দনিে দশোত্মবোধক গান গয়েে শোনান নজরুলসংগীত শল্পিী সুজতি মোস্তফা, নাসমিা শাহীন, রবীন্দ্রসংগীত শল্পিী অনমিা রায়, আধুনকি গানরে শল্পিী মৌটুসী র্পাথ ও বাংলাদশেরে কয়কেটি শক্ষিাপ্রতষ্ঠিানরে শক্ষর্িাথীরা। ছলি স্বাধীন বাংলা বতোর কন্দ্রেরে গানরে তালে নাচ। এদকিে বজিয় দবিসরে দনিে সাংস্কৃতকি পরবিশেনায় অংশ নয়িছেনে স্বাধীন বাংলা বতোর কন্দ্রেরে শল্পিী তমিরি নন্দী, লোকগানরে শল্পিী শফি মণ্ডল, নজরুলসংগীত শল্পিী সুজতি মোস্তফা, আধুনকি গানরে শল্পিী মৌটুসী র্পাথ ও সুর্পণা ইসলাম এবং রনেসোঁ ব্যান্ড। গানরে আগে ছলি আলোচনা।
বাকি দনিগুলোতওে থাকছে নচকিতোসহ বভিন্নি শল্পিীর সংগীত পরবিশেনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংবাদটি 9 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ